এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন, মাত্র ১০ ...See more

   এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন, মাত্র ১০ ...See more


এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন! 😰


মেয়েটার বয়স মাত্র ১০ বছর। ক্লাস ফাইভে পড়ে।

অথচ এই ছোট্ট মেয়েটাকেই দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং করছিল ২৩ বছরের যুবক ফয়সাল। দিচ্ছিল প্রেমের কুপ্রস্তাবও।


ঘটনাটি বরগুনার বেতাগীর। গত শনিবার রাতে মেয়েটি বাথরুমে গেলে ফয়সাল দরজার ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে তাকে স্পর্শ করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। ভয়ে মেয়েটি চিৎকার করলে ফয়সাল পালিয়ে যায়।


এরপর মেয়েটির মা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকেন। কিন্তু জানা গেলো পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে স্থানীয় মেম্বারের উপস্থিতিতে সালিশ বসিয়ে ঘটনাটি ‘মীমাংসা’ করে দেয়!


আর সেখানেই যেন আরও ভয়ংকর বিপদের দরজা খুলে যায়। সালিশের সময় ফয়সালের মা নাকি হুমকি দিয়েছিল, “পুলিশ ডাকার ফল ভোগ করতে হবে।”


পরদিনই সেই হুমকির ভয়াবহ পরিণতি দেখলো ১০ বছরের শিশুটি। স্কুল থেকে ফেরার সময় স্কুলের বাউন্ডারির ভেতর ওত পেতে থাকা ফয়সাল মেয়েটির ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে তার সামনের ৩টি দাঁত উপড়ে যায়, আরও ২টি দাঁত ভেঙে যায়।


যে শিশুটির বয়স এখনো ১০ বছর, যে স্কুলে পড়ে সে স্কুলেও নিরাপদ নয়। বাথরুমেও নিরাপদ নয়।


আর সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, প্রথমবার অভিযোগ পাওয়ার পর যদি যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো আজ এই শিশুটিকে হাসপাতালে কাতরাতে হতো না।


অভিযুক্ত ফয়সাল এখনো পলাতক। এখন প্রশ্ন শুধু ফয়সালকে গ্রেফতার করার নয়। প্রথমবার অভিযোগ পাওয়ার পর কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হলো না? কেন একজন শিশুর ওপর যৌন হয়রানির অভিযোগ সালিশে ‘মীমাংসা’ করা হলো?


অভিযুক্তের পাশাপাশি প্রথম ঘটনায় দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য ও সালিশে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি।


একজন শিশুকে নিরাপদ রাখতে ব্যর্থ হওয়া মানে শুধু একটি পরিবারকে ব্যর্থ করা নয় এটা পুরো সমাজের জন্য ভয়ংকর সতর্কবার্তা।


#tulonbhai #কালেক্টেড

Post a Comment

Previous Post Next Post

📰 Connecting to Article...

Please wait 7 seconds to access content...